মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ভৌগলিক পরিচিতি

শেরপুর শহর ও উপজেলা পরিষদের অবস্থানঃ

 

        বগুড়া শহর থেকে প্রায় ২০ কি.মি. দক্ষিণে বগুড়া-ঢাকা জাতীয় মহাসড়ক সংলগ্ন করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে শেরপুর নামক প্রসিদ্ধ ও সুপ্রাচীন শহরটি অবস্থিত। এটি একটি পৌরসভা শহর। ১৮৭৬ খৃষ্টাব্দের ২২ শে ফেব্রুয়ারি বেঙ্গল এ্যাক্ট ৫-এর অধীনে শেরপুর মিউনিসিপ্যালিটিগঠন করা হয়। শেরপুর উপজেলা পরিষদ এই পৌরসভা এলাকার  অভ্যন্তরে জাতীয় মহাসড়ক সংলগ্ন পশ্চিমপার্শ্বে শ্রীরামপুর নয়াপাড়া মহল্লায় অবস্থিত। বর্তমানের উপজেলা পূর্বে ‘থানা’ নামে সুপারিচিত ছিল। ১৮২১ খৃষ্টাব্দের পূর্বে পর্যন্ত সেরপুর থানা রাজশাহী জেলার অধীনে ছিল। ১৮২১ খৃষ্টাব্দে উহা বগুড়া জেলার অন্তর্ভূক্ত হয়।শেরপুর থানা সৃষ্টি হয় ১৯৬২ সালে। ১৯৮৩-৮৪ খৃষ্টাব্দে এরশাদ সরকারের আমলে থানাগুলি উপজেলায় রুপান্তরিত করায় ২৪’ ৪৩’ উত্তর-অক্ষাংশ এবং ৮৯’২০’ ও ৮৯’৩২’ পূর্ব-দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। জাতীয়মহাসড়কের প্রায় ২৬ কি.মিরাস্তা অত্র উপজেলার অন্তর্গত।

 

শেরপুর উপজেলার প্রতিষ্ঠাকালঃ

 

          ১৯৮৩ খৃষ্টাব্দের ১৪ই সেপ্টেম্বর তারিখে শেরপুর উপজেলা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কর্নেল সেলিম খান পি.এস.সি. উক্ত তারিখে প্রশাসনিক পুনবিন্যাসের অধীন শেরপুর উপজেলার নব-কার্যক্রমের শুভ উদ্ভোধনকরেন।

 

শেরপুর উপজেলার আয়তনঃ

 

         বর্তমানে শেরপুর উপজেলা আয়তন হচ্ছে ৭৩২১০ একর = ১১৪.৩৯ বর্গমাইল = ২৯৬.৪০ বর্গ কিলোমিটার।

 

শেরপুর উপজেলার সীমানাঃ

 

         উত্তরে বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলা ; দক্ষিণে সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলা পূর্বে বগুড়া জেলার ধুনটউপজেলা এবং পশ্চিমে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলা ও বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলা।

 

 

শেরপুর উপজেলায় কয়টি ইউনিয়ন ও কি কি ?

 

        শেরপুর উপজেলায় মোট ১০ টি ইউনিয়ন ছিল। যথাঃ- ১.কুসুম্বী, ২.গাড়ীদহ, ৩.খামারকান্দি, ৪.খানপুর, ৫.মির্জাপুর, ৬.বিশালপুর, ৭.ভবানীপুর, ৮.সুঘাটও ৯.সীমাবাড়ী। সম্প্রতি মির্জাপুর ইউনিয়ন-কে বিভক্ত করে আরেকটি নতুন ইউনিয়নের সৃষ্টি করা হয়েছে,যার নাম দেয়া হয়েছে ‘শাহ-বন্দেগী (রঃ)-এর নামানুসারেই এই ইউনিয়নের নাম রাখা হয়েছে। সুতরাং শেরপুর উপজেলায় বর্তমানে মোট ইউনিয়নের সংখ্যা দাঁড়াল ১০ টি। প্রত্যেক ইউনিয়নে রয়েছে একটি করে ইউনিয়ন পরিষদ। ১৯৭৩ সালে ইউনিয়নগুলোর প্রত্যেটিকে তিনটি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়। আবার ১৯৯৭ সালে নির্বাচনে সমগ্র ইউনিয়নকে ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়েছে।

 

 

ভৌগলিক পরিচিতি সংখ্যা ঃ

 

        বর্তমানে তথ্য-প্রযুক্তি বা কম্পিউটারের যুগে প্রত্যেক বস্ত্ত,ভৌত অবকাঠামো কিংবা ভৌগলিক স্থানকে সংখ্যাগত দিক দিয়ে বুঝানোর জন্য নামের প্রথম অক্ষর অনুসারে (Aথেকে Z পর্যন্ত) ধারাবাহিকতাভাবে কতগুলো স্বতন্ত্র পরিচিতি সংখ্যা (ID NO.)ব্যবহার করা হয়। এসব সংখ্যাগুলোকে ভৌগলিক পরিচিতি সংখ্যা (Geo Code No.) বলে। যেমনঃ- রাজশাহী বিভাগের জিও কোড নং = ১. বগুড়া জেলা =১০,শেরপুর উপজেলা = ৮৮। শেরপুর উপজেলাধীন বিভিন্ন ইউনিয়নের জিও কোড নং নিম্নরূপঃ-

 

কুসুম্বী ইউনিয় =৫৭, গাড়ীদহ ইউনিয় = ২৮, খামারকান্দি ইউনিয়ন = ৩৮, খানপুর ইউনিয়ন=৪৭, মির্জাপুর ইউনিয়ন = ৬৬, বিশালপুর ইউনিয়ন = ১৯, ভবানীপুর ইউনিয়ন= ১৭, সুঘাট ইউনিয়ন = ৯৫, সীমাবাড়ী ইউনিয়ন = ৮৫. শাহ-বন্দেগী ইউনিয়ন-এর জিও কোড নং প্রকাশিত হয় নি।